চট্টগ্রামে ৫০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ
ঘটনার নেপথ্যে চাঁদাবাজি, নাকি ব্যবসায়িক বিরোধ?
চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে ঘেরাও করে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় কথিত সাংবাদিক পরিচয়ধারী আহমেদ কবীরকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টা ৫৫ মিনিটে দক্ষিণ খুলশীর গরীবউল্ল্যাহ হাউজিং সোসাইটির ডেবার পাড় এলাকায় কেডিএস বিল্ডিংয়ের পার্কিং ফ্লোরে ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সিরাজ, যিনি নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জমি ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, অভিযোগ করেন—তার ব্যবসার অগ্রগতি দেখে দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে অর্থ দাবি করে আসছিলেন অভিযুক্তরা। সর্বশেষ ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর ও শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা সরে যায়। ভুক্তভোগী চিকিৎসা নিয়ে খুলশী থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।
তবে ঘটনার পেছনে অন্য কোনো প্রেক্ষাপট রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদের মধ্যে পূর্ব থেকে কোনো আর্থিক লেনদেন বা জমি-সংক্রান্ত ব্যবসায়িক বিরোধ ছিল কি না—এ প্রশ্নও সামনে এসেছে।
এই প্রেক্ষাপটে আমাদের সাদা কালো মাল্টিমিডিয়া নিউজ হাউজ-এর একটি অনুসন্ধানী টিম মাঠে নেমেছে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, সম্ভাব্য ব্যবসায়িক চুক্তি, আর্থিক লেনদেন ও উভয় পক্ষের বক্তব্য সংগ্রহের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি প্রকৃতপক্ষে চাঁদাবাজির, নাকি ব্যবসায়িক বিরোধের জের—তা নিশ্চিত হতে প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণ।