ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল আলম আল-জাহিদ মনোনীত প্রার্থী – গণসংহতি আন্দোলন
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড উপজেলা, আকবর শাহ ও পাহাড়তলী আংশিক ০৯-১০ নং ওয়ার্ড)
নির্বাচনী স্লোগান: “পরিবর্তন সম্ভব, পরিবর্তন চাই!”
বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারুণ্য, বুদ্ধিবৃত্তি ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল মুখ— ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল আলম আল-জাহিদ, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা নির্বাহী সমন্বয়কারী, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের মনোনীত প্রার্থী।
ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (ডিপ্লোমা ইন সিভিল) ও ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (বিএসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং) থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করে তিনি পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনে দায়িত্বশীলতা ও সাহসিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজকে সংগঠিত করতে তিনি ছিলেন প্রথম সারির নেতৃত্বে। ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র পরিষদ (বাকাছাপ)-এর মুখপাত্র ছিলেন।
রানা প্লাজা দুর্ঘটনা পরবর্তী উদ্ধার ও পুনর্বাসন আন্দোলন, ধর্ষণবিরোধী ছাত্রজোট, সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ও কোটা সংস্কার আন্দোলন—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক-রাজনৈতিক সংগ্রামে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন।
The Hunger Project-এর আওতায় সারাদেশে যুব নেতৃত্ব গঠনে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন এবং ২০১৬-২০২০ মেয়াদে ন্যাশনাল ইয়ুথ ফোরাম, ঢাকা রিজিয়ন-এর কো-অর্ডিনেটর ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি চট্টগ্রামে ফিরে এসে বাংলাদেশ যুব ফেডারেশন গঠনের উদ্যোগ নেন এবং স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।
পেশাগত জীবনে তিনি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস প্রাপ্ত বৃহৎ VRM প্রজেক্ট ও ওয়ার্ল্ড ব্যাংক-এর অর্থায়নে পরিচালিত MDS Project (Chattogram)-এ সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৯ সাল থেকে তিনি Daily Nayer Alo মিডিয়া পোর্টালের প্রধান সম্পাদক হিসেবে মুক্তচিন্তার ধারক—‘মুক্তচিন্তা’, ‘বিভক্ষা’, ও ‘দামাল বাংলা’-এর মতো সাহিত্য ও সমাজমনস্ক প্রকাশনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।
২০২২ সালে গণতন্ত্র মঞ্চ, বিএনপি ও ৩৯টি রাজনৈতিক দলের ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে তিনি গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষে জনমত সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের জুলাই মাসে তিনি হত্যাচেষ্টার শিকার হন, পরবর্তীতে সীতাকুণ্ডে উচ্ছেদবিরোধী আন্দোলন, BM ডিপো বিস্ফোরণ ও সীমা অক্সিজেন প্ল্যান্ট দুর্ঘটনার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করেন।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাঠের নেতৃত্ব দেন এবং আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামনে থেকে কাজ করেন।
২০২৫ সালের ২৪ অক্টোবর গণসংহতি আন্দোলন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা প্রথম সম্মেলনে তিনি নির্বাহী সমন্বয়কারী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হন।
ভাটিয়ারী ইউনিয়নের এক শিক্ষানুরাগী ও সমাজসচেতন পরিবারে জন্ম নেওয়া জাহিদুল আলম আল-জাহিদ ছোটবেলা থেকেই মানুষ, প্রাণ ও প্রকৃতির প্রতি দরদী। তার দাদা প্রয়াত রমিজ আহমেদ সওদাগর ও পরিবারের অন্য সদস্যরা স্থানীয় শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
তিনি বিশ্বাস করেন—
> “শ্রেণী, ধর্ম, জাতি, লিঙ্গ বা পেশা নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ নাগরিক মর্যাদা ও অধিকার লাভ করবে—এটাই প্রকৃত স্বাধীনতার রাজনীতি।”
এই বিশ্বাস থেকেই তিনি চট্টগ্রাম-৪ আসনের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে “জনগণের বাংলাদেশ” গঠনের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিতে চান।