1. [email protected] : adm_c39a1bb180 :
  2. [email protected] : ccadmin :
  3. [email protected] : chaelchattogra :
  4. [email protected] : facfltd :
চট্টগ্রামে আসামি কারাগারে যাওয়ায় আসামি পক্ষ "বাদী"কে হুমকি-অপপ্রচার। - চ্যানেল চট্টগ্রাম
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন

চট্টগ্রামে আসামি কারাগারে যাওয়ায় আসামি পক্ষ “বাদী”কে হুমকি-অপপ্রচার।

মুহাম্মদ আকতার হোসাইন নেজামী
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩২ ভিউ

সাতকানিয়ার সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: পাল্টা মামলায় ৩ জন কারাগারে পলাতক-২, “শীর্ষক সংবাদ প্রকাশের জের-হুমকি।

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসামি কারাগারে যাওয়ায় আসামি পক্ষ বাদীকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেইজবুকে নানা হুমকি-দমকি ও বিভিন্ন মানক্ষুন্ন জনক অপপ্রচার অভিযোগ উঠেছে।
সূত্রে, সাতকানিয়ার বারদোনা এলাকায় জায়গা ও মার্কেট দখলের বিরোধকে কেন্দ্র করে ১ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা কথিত ধর্ষণচেষ্টা মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় ৩’জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গত ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ৩’জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো ৩’জন হলেন—বারদোনার খিতামুল্লাহ পাড়ার সর্দার ও শাহ মজিদিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আলী, একই এলাকার অটো রিক্সাচালক ফরিদুল আলমের ছেলে সিএনজি চালক মো. হারুন এবং নুরুল ইসলামের পুত্র মো. এনাম প্রকাশ ‘কাঠ এনাম’। তারা সবাই বারদোনা এলাকার বাসিন্দা।
মামলা-সংশ্লিষ্ট সূত্র ও সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিনের অভিযোগ, তাহার নিজস্ব জায়গা ও মার্কেট দখলের চেষ্টা এবং পূর্ববিরোধের জেরে তার বিরুদ্ধে ২০২২ সালে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করা হয়। মামলাটির নম্বর ৩০৬/২০২২; এতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল।
গিয়াস উদ্দিনের দাবি, ওই মামলার কারণে তাকে কারাভোগ করতে হয় এবং তিনি সামাজিক, মানসিক, শারীরিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এমনকি অপহরণের শিকারও হন। পরিস্থিতির কারণে একপর্যায়ে তিনি নিজ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র ভাড়া বাসায় বসবাস করতে বাধ্য হন বলেও দাবি করেন।
পরে ওই মামলায় যুক্তিতর্ক শেষে গত ৫ জুন আদালত তাকে বেকসুর খালাস প্রদান করে।
পরে প্রতিকার চেয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর মাননীয় আদালতে মামলা করেন গিয়াস উদ্দিন। যার নম্বর ৯৮/২০২৬। তাহার পক্ষের আইনজীবী ও মামলা-সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সংশ্লিষ্ট মামলার বাদী ও সাক্ষীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ৩’জন আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে, শুনানি শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ মামলায় তছলিমা আক্তার ও আরেফা বেগম বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। গিয়াস উদ্দিনের দাবি, তছলিমা আক্তার বারদোনার মো. আইয়ুবের মেয়ে এবং সোনাকানিয়া ইউনিয়নের ছগিরা পাড়ার ইলিয়াছের স্ত্রী। আরেফা বেগম আইয়ুবের স্ত্রী ও তছলিমা আক্তারের মা।
সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন প্রশাসনের কাছে পলাতক তছলিমা আক্তার ও আরেফা বেগমকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের কেউ কেউ ৩’জনের কারাগারে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে দাবি করে।
এদিকে, উক্ত সংবাদ অনলাইন “আমাদের খবর” ও দৈনিক মেহেদী পত্রিকাসহ বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় প্রকাশ হয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেইজবুকে প্রচার করা হয়, যাতে মাননীয় আদালতে ন্যায় বিচার ও মিথ্যা মামলার শাস্তি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়ে ভবিষ্যতের জন্য সকলে সতর্ক থাকে। অপরদিকে, আসামি পক্ষ শান্ত থাকার পরিবর্তে উল্টো হুমকি-দমকিসহ নানা অপপ্রচার করে যাচ্ছেন। এতে মামলার বাদী-সাক্ষিসহ পরিবারের সকলে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। আটক, পলাতক আসামি ও জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভূক্তভোগিসহ এলাকাবাসী। সবগুলোর ডকুমেন্ট ও স্ক্রিনসট রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2018
Theme Customized By LiveTV