1. [email protected] : ccadmin :
  2. [email protected] : chaelchattogra :
  3. [email protected] : facfltd :
সাতকানিয়া উপজেলায় জোড় পূর্বক কৃষি জমি কর্তন - চ্যানেল চট্টগ্রাম
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩১ অপরাহ্ন

সাতকানিয়া উপজেলায় জোড় পূর্বক কৃষি জমি কর্তন

মুহাম্মদ আকতার হোসাইন নেজামী
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬১ ভিউ

সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া তেমুহানী মৌজায় জোরপূর্বক ফসলি জমির মাটি কেটে ভিটে ভরাট ও দখল অপচেষ্টার অভিযোগ ওঠে ওই এলাকার মাহমুদুল হাসান প্রকাশ খোকা ( ৫৫) নামে এক ব্যক্তি ও তার ২ ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়।
১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) বিকালে উল্লিখিত মৌজার বাশ্শাহ’র বাড়ির পাশে প্রকাশ বেলায়া ব-র ভিটায় ফসলি জমি কাটার সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাতেনাতে বন্ধ করে দেন। এসময় বিবাদীদের মাটি কাটার অপরাধে জেল-জরিমানার সতর্ক করে থানায় সালিশি-বিচারে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেন।

এর আগে, দুপুরে সাতকানিয়া থানায় অভিযুক্ত তিনজনের নাম উল্লেখ করে সহযোগী অজ্ঞাত ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী জমির মালিকের অংশীদার নজিবুল্লাহ চৌধুরী। উল্লিখিত বাকী অভিযুক্তরা হলেন— খোকার ছেলে আব্দুর রহিম (৩৭) ও আব্দুল করিম (৩৫)।

অভিযোগে বলা হয়— তেমুহানী মৌজার উল্লিখিত ভিটায় ভুক্তভোগী নজিবুল্লাহ চৌধুরীর পিতা, নিজের প্রায় দেড় কানি জমিতে বহুবছর ধরে চাষাবাদ কর আসছে। অভিযুক্তরা পার্শ্ববর্তী জায়গায় দালান নির্মাণে ভিটা ভরানোর জন্য ওই জমি থেকে মাটি কেটে নেয়ার বারবার তাগাদা দিতে থাকেন।

ভুক্তভোগীর পিতা কৃষি জমির মাটি দিতে অসম্মতি জানালে, এরই জেরে অভিযুক্তরা গত ১৫ এপ্রিল থেকে মাটি কাটার শ্রমিক দিয়ে জোরপূর্বক ফসলি জমি কেটে ভিটা ভরাট করতে থাকে। তারা জমির কিছু অংশে টপ সয়েল কেটে পেলে আবার কিছু অংশে সিংকহোল করে ফেলে।
এভাবে ভিটার গর্ভে চলে যায় পুরো আস্ত কৃষি জমির মাটি। এতে ভুক্তভোগীর পরিবার অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়ে।
সর্বশেষ গত ১৩ এপ্রিল সন্ধ্যায়, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর পিতাকে ফের ওই জমি থেকে মাটি কেটে নেয়ার কঠোর হুমকি দেন। কেউ বাধা দিতে আসলে জানে মেরে ফেলারও হুমকি প্রদান করেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করলেও কোনো প্রতিকার পাননি ভুক্তভোগী। উলটো অভিযুক্তরা তাকে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে।
অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক রোমান জানান, এই ঘটনায় তেমুহানী মৌজার ওই কৃষি জমি পরিদর্শন করা হয়েছে। মাটি কাটার সত্যতাও পেয়েছি এবং অভিযুক্তদের এ ব্যাপারে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। বিবাদীদের বিষয়ে আরও তদন্ত করা হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, ওই কৃষি জমি থেকে ৭/৮ ইঞ্চি করে যেভাবে মাটি কেটে নেয়া হয়েছে, মনে হয় না আর ফলন হবে। এই মাটি খেকোদের জেল-জরিমানা হওয়া দরকার। এতে অন্যান্যরাও সতর্ক হবে। আশা করি, ইউএনও ও এসিল্যান্ড মহোদয় এসে ঘটনাটি পরিদর্শন করবে।
আইনি কড়াকড়িতে যা আছে— বাংলাদেশে ফসলি জমির মাটি কাটা বা ‘টপ সয়েল’ উত্তোলন – (ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩) অনুযায়ী একটি গুরুতর অপরাধ। এ অপরাধে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড (লক্ষাধিক টাকা) হতে পারে। এ ছাড়া— বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-অনুযায়ীও অবৈধ মাটি কাটায় তাৎক্ষণিক জরিমানা ও ভেকু/যন্ত্রাংশ জব্দ করার বিধান রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

বোয়ালখালীতে দরবারে গাউছে হাওলাপুরীর ত্রাণ সামগ্রী বিতরন। মুহাম্মদ আকতার হোসাইন নেজামী : অতিরিক্ত বৃষ্টির কারনে বোয়ালখালী উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন দরবারে গাউছে হাওলাপুরী। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন পানিবন্দি এলাকায় বন্যা কবলিত মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রান্না করা ও শুকনা খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন হাওলাপুরী রেসকিউ টিম। ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) মেহেদী হাসান ফারুক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা,দরবারে গাউছে হাওলা শরীফ শিবলী মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন পীরজাদা শাহ সুফি সৈয়দ নঈমূল কুদ্দুস আকবরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দরবারে গাউছে হাওলা শরীফ শিবলী মঞ্জিল, পীরজাদা সৈয়দ মনিরুল কুদ্দুস আকবরী, মাসরুর আহম্মেদ খানসহ ভক্ত, খাদেম ও নেতৃবৃন্দ বিতরণ কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করেন। দরবারে গাউছে হাওলা শরীফ শিবলী মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন পীরজাদা শাহ সুফি সৈয়দ নঈমূল কুদ্দুস আকবরী বলেন, বোয়ালখালী উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে ১২ শত জনকে রান্না করা খাবার ও ১২ শত জনকে শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন বোয়ালখালীবাসীর এমন দুঃসময়ে সকল বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিৎ।

বোয়ালখালীতে দরবারে গাউছে হাওলাপুরীর ত্রাণ সামগ্রী বিতরন। মুহাম্মদ আকতার হোসাইন নেজামী : অতিরিক্ত বৃষ্টির কারনে বোয়ালখালী উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন দরবারে গাউছে হাওলাপুরী। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন পানিবন্দি এলাকায় বন্যা কবলিত মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রান্না করা ও শুকনা খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন হাওলাপুরী রেসকিউ টিম। ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) মেহেদী হাসান ফারুক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা,দরবারে গাউছে হাওলা শরীফ শিবলী মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন পীরজাদা শাহ সুফি সৈয়দ নঈমূল কুদ্দুস আকবরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দরবারে গাউছে হাওলা শরীফ শিবলী মঞ্জিল, পীরজাদা সৈয়দ মনিরুল কুদ্দুস আকবরী, মাসরুর আহম্মেদ খানসহ ভক্ত, খাদেম ও নেতৃবৃন্দ বিতরণ কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করেন। দরবারে গাউছে হাওলা শরীফ শিবলী মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন পীরজাদা শাহ সুফি সৈয়দ নঈমূল কুদ্দুস আকবরী বলেন, বোয়ালখালী উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে ১২ শত জনকে রান্না করা খাবার ও ১২ শত জনকে শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি আরো বলেন বোয়ালখালীবাসীর এমন দুঃসময়ে সকল বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিৎ।

© All rights reserved © 2018
Theme Customized By LiveTV